এ এক অদ্ভুত সমাপতন-হয়ত পূর্বস্থিরীকৃত বিধাতার ইচ্ছায়-‘মহাকালে’র অভীপ্সায়,আশীর্বাদে।
সপ্তদশী কিশোরী একজন পত্রে তাঁর বাবাকে জানাচ্ছেন- আমার উদ্দ্যেশ্য নয় এই পৃথিবীতে লোকের প্রিয় হওয়া । কিন্তু এই পৃথিবীতে খাঁটি হওয়া।খাঁটি হয়েও যদি প্রিয় হতে পারি তবে তো কথাই নেই।
কন্যাকে সুপাত্রে অর্পনের বরিষ্ঠ প্রশাসনিক আধিকারিক পিতার প্রয়াসে ঐ বয়সেই তিনি তীব্র আপত্তি জানিয়ে এবং নিজের জীবনের লক্ষ্যের ইঙ্গিতও দিয়ে তাঁকে বিরত করলেন।
আর সহযোদ্ধা অন্যজন ঢাকার এক পরিবারের জেষ্ঠ্যসন্তান হলেও মাত্র তেরো বছর বয়সেই বৈপ্লবিক কাজে হাতেখড়ি- পরবর্তীতে আবার একাধারে বিপ্লবী দার্শনিক ও তন্ময় সঙ্গীতে-সাধক।
ঐ সপ্তদশী হলেন শ্রীহট্টের আদি বাসিন্দা আসাম সিভিল সার্ভিসের সদস্য আসামের মঙ্গলদই এর তৎকালীন মহকুমা সমাহর্তা শ্রী গিরিশ চন্দ্র নাগের কন্যা লীলা নাগ যিনি পরবর্তীকালে বিপ্লবী দেশনেত্রী শ্রীযুক্তা লীলা রায় নামে অবিভক্ত বাংলা তথা বাংলার বাইরে ভারতীয় রাজনীতিতে সমধিক পরিচিত হন।
গত শতক আরম্ভ পূর্ববছরের আসামের গোয়ালপাড়ায় এক শিক্ষিত উদার সংস্কৃতিমনা পরিবারে এই মহিয়সীর জন্ম। ঘটনাচক্রে ইংরাজী দশম মাসের ওই দ্বিতীয় দিবসে ভারতবর্ষের আরও দুই মহান সন্তানেরও জন্মদিন। সেকারনে দিবসটি ভারতবাসীর কাছে অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য একটি দিন। কিন্তু প্রতিবছর সেদিনটিতে মুলধারার কোন সংবাদপত্রে এই মহিয়সীর নামটিও অধুনা উল্লেখিত হয় না।
অথচ সরকারি প্রচারের গণ্ডির বাইরে ও ক্রমে বিস্মৃতির অতলে চলে যাওয়া এই মহান বিপ্লবী দেশনেত্রী স্বাধীনতা সংগ্রামে মহাত্মা গান্ধীর অনুগামী না হয়েও তাঁর সাথে এক শ্রদ্ধার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। উভয়ের মধ্যে চিঠি পত্রেও যোগাযোগ ছিল। আবার কবিগুরুর স্নেহধন্যা তিনি জীবনের যাত্রাপথে বারংবার মানসিক শক্তি সঞ্চয় করেছেন সেই মহাদ্রষ্টার আশীর্বানী থেকে।
অভিজাত পরিবারের শিক্ষিতা, মেধাবী,সুদর্শনা এবং আকর্ষনীয় ব্যক্তিত্বসম্পন্না তিনি ইচ্ছে করলেই আর পাঁচজন বাঙ্গালী মহিলার মত সুখে স্বচ্ছন্দে নিরাপদ আরামে জীবন কাটাতে পারতেন। কিন্তু তিনি সব হেলায় সরিয়ে জীবনের কুসুমাস্তীর্ন পথ পরিত্যাগ করে স্বেচ্ছায় দূর্গমের পথযাত্রী হয়েছেন। দেশের জন্য আত্মনিবেদনের উদ্দেশ্যে নিজেকে প্রস্তুত করেছেন।যিনি নিজের সম্পর্কে বলতে গিয়ে দ্বিধাহীন ভাবে উচ্চারন করতে পারেন-“আমি আত্মনিবেদিত বিপ্লবী,পেছুটান আমি রাখিনা”।
আসাম সিভিল সার্ভিসের সদস্য বাবা ও শিক্ষিতা গৃহবধূ মা শ্রীমতী কুঞ্জলতা নাগে’র আদরের ‘বুড়ী’ ওরফে লীলাবতী নাগ পরবর্তীকালে রূপান্তরিত হন বিপ্লবী দেশনেত্রী শ্রীযুক্তা লীলা রায়। তাঁর মধ্যে দেশাত্মবোধ এবং বিপ্লবী চেতনার স্ফুরন ঘটেছিল পারিবারিক পরিবেশ এবং সম্ভবত তার শিক্ষা জীবনের প্রারম্ভ থেকেই।ক্ষুদিরামের ফাঁসির দিনে তাঁদের বাড়িতে অরন্ধন পালিত হয়।অবসর গ্রহনের পর ঢাকার বক্সীবাজারের স্থায়ীবাসিন্দা শ্রী নাগ কেন্দ্রীয় আইনসভায় আসামের প্রতিনিধিরূপে নির্বাচিত হলেও লবনকর প্রবর্তনের প্রতিবাদে এক বছরের মধ্যেই পদত্যাগ করেন।
দেওঘরে শিক্ষারম্ভ হলেও কোলকাতার ব্রাহ্ম গার্লস স্কুলে কিছুদিন শিক্ষালাভের পর ১৯১৭ এয় ঢাকার ইডেন স্কুল থেকে বৃত্তি সহ প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ন হয়ে লীলা নাগ এলেন কলকাতার বেথুন কলেজে।
বেথুনের সহপাঠিনী শ্রীমতী প্রীতি চট্টোপাধ্যায়ের অনুভবে -“লীলা এলো ঢাকা থেকে ,আমাদের সঙ্গে বেথুন হস্টেলে থেকেই পড়বে। প্রথমটা কিন্তু আমরা তাকে দুরেই রেখে দিলাম, বোধহয় ঢাকার মেয়ে বলে। আমাদের বেথুনের মেয়েদের তুলনায় তাঁকে যেন একটু বেশী পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন,ফিটফাট মনে হল।তখনই দেখেছি তাঁর সমস্ত কাজকর্ম নিয়মে বাঁধা, অত্যন্ত পরিপাটি। সে আবার তাঁর মা বাবার অতি আদরের একমাত্র কন্যা তার উপর সুন্দরী। আমাদের মনে বোধহয় তাই একটু দ্বিধা ছিল , যদি বা সে গর্বিতা হয়,যদি আমাদের সঙ্গে প্রান খুলে না মেশে। কিন্তু সে যে ছিল অত্যন্ত মিশুক তার প্রাণটি স্নেহ ভালবাসায় ভরা, কতদিন আমরা তাকে পর করে রাখব? একদিন সন্ধ্যায় পূবের বারান্দায় একাই একটু পায়চারি করছি, লীলা কাছে এসে গল্প জুড়ে দিল। কত কথাই হল,…আমারও সিলেটই দেশ জেনে তাঁর খুব আনন্দ……. এইভাবে একদিনেই যেন দুজনে চিরদিনের আপনার হয়ে গেলাম এবং ক্রমশঃই আমাদের বন্ধুত্ব নিবিড় হয়ে উঠতে লাগল”।
সহপাঠী ,বন্ধু এবং শিক্ষক -সকলের প্রিয় বিদুষী বহুমুখী প্রতিভার অধিকারিনী তিনি ছিলেন অনেকক্ষেত্রেই প্রথম । কন্ঠসঙ্গীত, যন্ত্র সংগীত।ছবি আঁকা বা খেলাধুলা সব কিছুতেই তিনি বিশেষ পারদর্শী ছিলেন। সেতারের পাঠও তিনি নিয়েছিলেন। নেতৃত্ব দেওয়ার সহজাত ক্ষমতা ও সাহস ছিল। কলেজ জীবনেই বড়লাটের পত্নীকে নতজানু হয়ে অভিবাদন জানানোর প্রথা বাতিলের দাবিতে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন লীলা নাগ।
বেথুন কলেজ থেকে ইংরেজীতে অনার্স নিয়ে স্বর্নপদক পেয়ে প্রথম শ্রেনীতে পাস করার পর তখন পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সহশিক্ষার প্রচলন না থাকলেও অনমনীয় দৃঢ়চেতনায় বিশেষ অনুমতি আদায় করে ইংরাজী নিয়ে এম এ ক্লাসে ভর্তি হলে পরিচিতি ঘটে সহপাঠী বিপ্লবী অনিল রায়ের সঙ্গে। ১৯২৩ এ দুজনেরই স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ- লীলা নাগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম মহিলা হিসাবে ।
লীলা নাগ ইতিমধ্যেই কুমুদিনী বসুর নেতৃত্বে ‘সারা বাংলা নারী ভোটাধিকার সমিতির’ সহ-সম্পাদিকা হন ।১৯২২ এ সুভাষচন্দ্রের নেতৃত্বে গঠিত উত্তরবঙ্গ বন্যাত্রান- কমিটির অধীন ঢাকা মহিলা ত্রান কমিটির সহ সম্পাদিকা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লীলা নাগের এক ক্লাস উপরের ছাত্র সাহিত্যিক কাজী মোতাহের হোসেন তাঁর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি শীর্ষক প্রবন্ধে লীলা নাগের সম্বন্ধে লিখেছেন- “এঁর মত সমাজসেবিকা ও মর্যাদাসম্পন্ন নারী আর দেখি নাই। এঁর থিয়োরি হল, নারীদেরও উপার্জনশীল হতে হবে,নইলে কখন তারা পুরুষের কাছে মর্যাদা পাবেনা”।
এম এ পাস করার পরপরই লীলা নাগ তাঁর বারো জন বন্ধুবান্ধব কে নিয়ে ঢাকায় ‘দীপালি সংঘ’ নামে একটিপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন । ক্রমে ক্রমে দীপালীসঙ্ঘের শাখা গড়ে উঠল ঢাকার পাড়ায় পাড়ায় এবং তাদের পরিচালনায় বারটি প্রাথমিক বিদ্যালয়,বয়স্ক শিক্ষা কেন্দ্র এবং শিল্প শিক্ষাকেন্দ্র গড়ে ওঠে। ঢাকায় প্রথম বেসরকারি ইংরাজী বিদ্যালয় ‘দীপালি স্কুল’ স্থাপন করেন লীলা নাগ এবং তিনি নিজে এর অবৈতনিক অধ্যক্ষের দায়িত্বভার নেন।পরবর্তী কালে কামরুন্নেসা গার্লস হাইস্কুল নামে তা আজও বিদ্যমান। তাঁর প্রতিষ্ঠিত ‘নারীশিক্ষা মন্দির’ আজ শেরে-বাংলা-বালিকা মহাবিদ্যালয়।ঢাকার আর্মানিটোলা বালিকা বিদ্যালয়েরও প্রতিষ্ঠাতা তিনি। দীপালি সংঘ যেমন সকল স্তরের নারীদের মধ্যে এক অনাস্বাদিত আনন্দ প্রানচাঞ্চল্য সৃষ্টির সাথে স্বাবলম্বনের আত্মবিশ্বাস সঞ্চার করল এর নিরলস কর্নধার রূপে লীলা নাগও সারা বাংলাদেশে সুপরিচিত হয়ে উঠলেন।
১৯২৫ সালে দীপালি সংঘের পক্ষ থেকে ঢাকায় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথকে এক বিপুল সম্বর্ধনা দেওয়া হয়।এই অনুষ্ঠানের অভিনবত্ব এবং অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যার বিশালত্ব দেখে কবি বলেছিলেন তাঁর ভাষনে-“ সমস্ত এশিয়াতে মেয়েদের এত বড় সভা দেখিনি কোথাও…”।
ডাক এসেছিল কবির কাছ থেকে শান্তিনিকেতনে মেয়েদের কাজের ভার নিতে। কিন্তু জীবন দেবতা যে তাঁর জন্য ইতিমধ্যেই ভিন্ন পথ নির্দিষ্ট করে ফেলেছেন তবু গেলেন দেখা করতে শান্তিনিকেতন। তারপর? তাঁর নিজের লেখনীতে-‘তাঁর সাথে দেখা হতে প্রনাম করে চুপ করে রইলাম। তাঁর অনুরোধ রক্ষার অক্ষমতা জানাতে সঙ্কোচ হচ্ছিল।কবি বুঝলেন।সস্নেহ প্রসন্নতায় পিঠে হাতখানি রেখে আমার অনুক্ত বক্তব্যকে সহজ করে দিয়ে বললেন “ঢাকার কাজ ছেড়ে বুঝি আসতে ইচ্ছে করছেনা” অন্তর কৃতজ্ঞ হয়ে উঠেছিল ওঁর প্রতি সেদিন’।
এ পথে চলতে চলতে সবার অলক্ষ্যে দীপালি সংঘের মাধ্যমে বিপ্লবের দুর্গম দুঃসাহসিক পথের ডাক পেয়ে সেদিকেই পা বাড়ালেন লীলানাগ।তাঁর গড়া মহিলা ‘আত্মরক্ষাকেন্দ্র’এ অস্ত্রচালনা ও লাঠি খেলা শেখানো হত ।
ক্রমে অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষিত হলেন একদা সহপাঠী বিপ্লবী অনিল রায়ের সংস্পর্শে এসে।এও যেন বিধাতা নির্দ্ধিষ্ট এক যোগাযোগ। সেইসময় ঢাকায় সক্রিয় বিশেষত শহরের তরুণদের মধ্যে অনিল রায়ের সংগঠন ‘শ্রীসঙ্ঘ’ । ঢাকার মানিকগঞ্জের বায়রা গ্রামে ১৯০১ সালের ২৬শে মে ভুমিষ্ঠ নবাবগঞ্জের অরুন চন্দ্র রায় ও শরৎকুমারী দেবীর জেষ্ঠ্যপুত্র অনিল রায়ের মাত্র তেরো বছর বয়সেই বৈপ্লবিক কাজে হাতেখড়ি ।তিনি একদিকে গোপন বিপ্লবীদলের সংগঠক-নেতা আবার সঙ্গীতের তন্ময় সাধকও। পদ্য,গীত রচনায় সহজাত শিল্পী-সাহিত্য-সংস্কৃতির উপাসক ।তাঁর ভাবনায়ই প্রথম এসেছিল মহিলা সংগঠনের রাজনৈতিক দিকটি। তিনি ভেবেছিলেন আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে নারীদের স্বতন্ত্র ভুমিকা এবং একটি রাজনৈতিক সংগঠনে সহযোদ্ধা হিসেবে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালনের প্রয়োজনীয়তা।তাঁর উদ্যোগেই একগুচ্ছ মহিলাও শ্রীসংঘে যোগদান করেছিলেন সেসময়- লীলা নাগও তাঁদের অন্যতমা।
এদিকে দীপালি সঙ্ঘের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রয়োজন হত শ্রীসঙ্ঘের সাংগঠনিক সাহায্য ও সহযোগিতা । যাত্রাপথের এইভাবে নৈকট্যের মাধ্যমে জাতীয় আন্দোলনের গতিপথ দেশের স্বাধীনতা লাভের পথ রাজনৈতিক আদর্শের প্রস্নও উঠে আসত উভয়ের আলোচনায়। জাতীয় মুক্তির প্রশ্নে গান্ধীজীর অহিংস সত্যাগ্রহ আন্দোলনে তাঁর বিশেষ আস্থা ছিলনা।তাঁর পথের নির্দেশ তিনি পেলেন সুভাষচন্দ্রের বক্তব্যে। বিপ্লববাদকে পন্থা হিসেবে গ্রহণযোগ্য মনে হওয়ায় লীলা নাগও যোগ দিলেন বিপ্লবী দল শ্রীসঙ্ঘে। সেটা ১৯২৬ সাল ।
ভূপেন্দ্র কিশোর রক্ষিত রায়ের কথায় –“ বিত্তশালী পিতার একমাত্র বিদুষী কন্যার পদতলে যখন ভবিষয়ত সুখের সংসার গড়াগড়ি যাচ্ছিল তখন তিনি সব ছেড়ে দিয়ে বিপ্লবীনী হবার প্রতিজ্ঞা করলেন। তৎকালে
ঢাকা শহরের আঁধার পরিবেশে একটি দীপশিখার মত তিনি সঞ্চারিত হচ্ছিলেন, কিন্তু বিপ্লবী সংস্থার সংস্পর্শে এসে সারা বাংলার গগনে তিনি সঞ্চারিত হতে থাকলেন বিদ্যুৎশিখার ম
১৯২৮ সালে কোলকাতায় নিখিল ভারত কংগ্রেস কমিটির অধিবেশনে সুভাষচন্দ্রের পাশে দাঁড়াতে, বাংলার অন্যান্য বিপ্লবীদের সাথে অনিল রায় শ্রীসঙ্ঘের নেতারূপে এবং লীলা নাগও নারী আন্দোলনের অবিসংবাদী নেত্রীরূপে যোগ দেন। সেখানে নিখিল ভারত মহিলা সম্মেলনে বাংলার নারী আন্দোলনের ইতিহাস উপস্থাপনার দায়িত্ব এসে পড়ে লীলা নাগের উপর। এভাবেই জাতীয় আন্দোলনের আঙ্গিনায় তাঁর প্রবেশ। কলকাতা সম্মেলনের পর ঢাকায় ফিরে চলল একই সঙ্গে নারী আন্দোলন এবং অন্তরালে বিপ্লবপথের প্রস্তুতি।ক্রমে বিপ্লবী গুপ্ত আন্দোলনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ঘনিষ্ঠতর হল । সেতারের তার ঝংকৃত করা হস্তাঙ্গুলি বোমা বারুদের স্পর্শেও অচঞ্চল দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
(ক্রমশঃ)
ঋনঃ
এ আমরা সইব না – লীলা রায়
স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলার নারী –কমলা দাশগুপ্তা।
ভারতে সশস্ত্র বিপ্লব –ভুপেন্দ্র কিশোর রক্সিত রায়
সবার অলক্ষ্যে – ভূপেন্দ্র কিশোর রক্ষিত রায়
জয়শ্রী- লীলা রায় জন্মবার্ষিকী সংখ্যা(শারদীয়া) এবং অন্যান্য সংখ্যা।
শিখাময়ী লীলা রায়ঃ আগমনী লাহিড়ী ও বিজয় নাগ
ঐ মহামানব আসে-চারনিক
স্মৃতিকথা –কাজী মোতাহার হোসেন এবং
অনুজ ধরের গ্রন্থঃ ‘ইন্ডিয়া’স বিগেস্ট কভার আপ’



